Description
ইন্দ্রের সভাতে অপ্সরা মোহিনীর নাচ দেখে সবাই মুগ্ধ। ইন্দ্র মোহিনীকে পাঠালেন ভগবান মহাদেবের কাছে কৈলাস পর্বতে। পথে দেখা হয়ে গেল অল্পবয়সি এক যুবার সঙ্গে। ওর নাম জয়ন্ত। দেবরাজ ইন্দ্রেরই পুত্র। মোহিনীকে জয়ন্তর খুব ভালো লেগে গেল। তাকে সে নিয়ে গেল নিজের প্রাসাদে। পরে যখন ইন্দ্র মহাদেবকে মোহিনীর কথা জিজ্ঞেস করলেন, তিনি তো আকাশ থেকে পড়লেন। না, মোহিনী নামে কোনো অপ্সরা তো আসেনি তাঁর কাছে। খবর নিয়ে ইন্দ্র জানতে পারলেন, মোহিনী এখন থাকে তাঁরই পুত্র জয়ন্তর সঙ্গে। ক্রোধে অন্ধ হয়ে ইন্দ্র পুত্রকে অভিশাপ দিলেন। গাধা হয়ে জয়ন্ত পৃথিবীতে জন্ম নেবে। আর হলও তাই। গাধা হয়েই এক কুমোরের ঘরে জন্মাল সে। পিতার এই ভয়ংকর অভিশাপ থেকে জয়ন্তর কি আর কোনোদিন মুক্তি নেই? নাকি মহাদেবের কথা অনুযায়ী কোনো রাজকন্যাকে বিয়ে করতে পারলে শাপমুক্ত হয়ে ফের সে দেবতা হতে পারবে? জানতে গেলে পড়তে হবে গুজরাটের লোককথা ‘দূরদর্শী গাধা’।
যেমন মন ভোলানো এই গাধারূপী দেবতার গল্প, তেমনই আকর্ষক ভাগ্যদেবীর অখণ্ডনীয় নিয়তি খণ্ডানোর গল্প কিংবা পুণ্যবতী আঈজসলের চিতায় আরোহণের কাহিনি। সেই সঙ্গে গুজরাটি লোককথার এই সংকলনে আমরা পড়ব এক রাজকুমারীর কথাও-বাবাকে যে নুনের মতো ভালোবাসত।
শিশুসাহিত্যে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সুনির্মল চক্রবর্তী গুজরাটি লোককথার বিপুল সম্ভার থেকে আমাদের জন্য উদ্ধার করে এনেছেন মোট ৭টি গল্প। সাতরঙা রামধনুর মতোই রঙিন তারা। আজকের ছোটোদের কাছে তো বটেই, কখনো যাঁরা ছোটো ছিলেন- তাঁদের কাছেও চিরকালীন এই লোককথাগুলির আবেদন ফুরিয়ে যাওয়ার নয়।







Reviews
There are no reviews yet.