Description
৩৬ বছর বয়স থেকে জগদীশচন্দ্র তাঁর বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা শুরু করেন। দেশজ কারিগর ও যন্ত্রপাতি দিয়েই তিনি বিশ্বে সর্বপ্রথম তারহীন তরঙ্গ বা বেতার তরঙ্গ (মাইক্রোওয়েভ) সৃষ্টি ও প্রেরণ করেন। ১৮৯৪ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে জগদীশচন্দ্র তাঁর বেতার। সংক্রান্ত তত্ত্বের পরীক্ষালব্ধ রূপ প্রত্যক্ষ করান। এর তেরো বছর পর মার্কনি তারহীন সংবাদ পাঠানোর পেটেন্ট নেন। কিন্তু মার্কনি নয়, জগদীশচন্দ্র বসুই হালেন প্রকৃতপক্ষে বেতার যোগাযোগ এবং বেতার যন্ত্রের আবিষ্কর্তা।
বেতার আবিষ্কারের পর জগদীশ-চন্দ্রের গবেষণা নতুন দিকে মোড় নেয়। জড় ও জীবের সাড়া বিষয়ে তিনি এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করেন। উদ্ভিদ শারীরবিদ্যার উদ্গাতা হলেন জগদীশ-চন্দ্র। উদ্ভিদতত্ত্ব বিষয়ে তাঁর গবেষণার সময়কাল প্রায় তেত্রিশ বছর। এই সময়কালে তিনি প্রায় শতাধিক যন্ত্র তৈরি করেছেন।
সহজবোধ্য বাংলা ভাষায় জগদীশ-চন্দ্রের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার-গুলিকে যিনি প্রথম প্রায় শতবর্ষ আগে সাধারণ বাঙালি পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন, তিনি জগদানন্দ রায়। রবীন্দ্রনাথ ও জগদীশচন্দ্রের সাহচর্য লাভের অধিকারী এই বিজ্ঞানসাধকের বিজ্ঞানাচার্য জগদীশচন্দ্রের আবিষ্কার গ্রন্থটি শুধু মাতৃভাষায় বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে নয়, তদানীন্তন বিজ্ঞানের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রেও একটি জীবন্ত দলিল। বিজ্ঞানাচার্যের জন্মের সার্ধ শতবর্ষ উপলক্ষ্যে বিস্মৃতির অন্তরালে পড়ে থাকা এই গ্রন্থের পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রকাশ।







Reviews
There are no reviews yet.